B.ED ডিগ্রিধারীরা বসতে পারবেন না প্রাইমারি টেট পরীক্ষায়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

B.ED পরীক্ষার্থীদের প্রাইমারি টেট পরীক্ষায় বসার ব্যপারে নিষেধাজ্ঞ্যা জারি করলো সুপ্রিম কোর্ট।

দীর্ঘ পরিশ্রম ও প্রতীক্ষার পর অবশেষে D.El.Ed প্রার্থীদের জয় হলো। অবসান ঘটলো বহুদিন ধরে চলার B.ED, D.El.Ed জল্পনার। এবার থেকে শুধু মাত্র D.El.Ed এবং D.Ed প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরাই বসতে পারবে প্রাইমারি পরীক্ষায়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে এই শুনানি পেশ হয়েছে। এই বিষয়ে বিপরীতে হাইকোর্টের নির্দেশ কে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। যার ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সকল পরীক্ষার্থীরা।

কেনো এই সিদ্ধান্ত আরোপ করছে সুপ্রিম কোর্ট?
এতদিন জাতীয় শিক্ষক শিক্ষণ পর্ষদ এর নিয়মানুযায়ী, B.ED প্রার্থীরা প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদন করে বসার সুযোগ পেয়ে এসেছেন। হাজার হাজার B.ED প্রার্থীরা প্রাথমিক পরীক্ষায় বসেছেন এবং সুযোগ ও পেয়েছেন। যার ফলে অধিকাংশ D.El.Ed এবং D.Ed প্রার্থীরা এই পরীক্ষার যোগ্য প্রার্থী হয়েও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অর্ধেক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ভারতের বাজারে আসতে চলেছে 11 টি নতুন নোট, দেখে নিন কবে হাতে পাবেন?

ফলবশত, NCTE এর এই নিয়ম কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন D.El.Ed এবং D.Ed প্রার্থীরা এবং সেই সঙ্গেe সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তারা। সেই মামলার শুনানিতে আজ শেষমেশ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বিএড প্রার্থীরা এবার শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরেই পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এবার থেকে এই সিদ্ধান্তই সারা দেশ জুড়ে বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট তত্বাবধান থেকে।

এতদিন জাতীয় শিক্ষক শিক্ষণ পর্ষদ এর নিয়মানুযায়ী, B.ED প্রার্থীরা প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদন করে বসার সুযোগ পেয়ে এসেছেন। হাজার হাজার B.ED প্রার্থীরা প্রাথমিক পরীক্ষায় বসেছেন এবং সুযোগ ও পেয়েছেন। যার ফলে অধিকাংশ D.El.Ed এবং D.Ed প্রার্থীরা এই পরীক্ষার যোগ্য প্রার্থী হয়েও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অর্ধেক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে এই সিদ্ধান্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়?
D.El.Ed এবং D.Ed ডিগ্রী অর্জন করলে প্রার্থীরা প্রাইমারি পরীক্ষায় নির্বাচিত হয়ে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতে পারবেন। ওদিকে, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাকতায় নিযুক্ত হতে অবশ্যম্ভাবী B.ED পরীক্ষায় পাশ করতে হয় সেই প্রার্থীকে। এতদিন বাধাহীন প্রক্রিয়ায় বিএড প্রার্থীরা প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক দুটি স্তরেই নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেতেন।

রাজ্য সরকারি কর্মীদের সুখবর। অর্থদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

তবে সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাপক প্রভাবিত হবে। এই নীতি সমাজব্যবস্থায় সমতা আনার একটি দারুন সিদ্ধান্ত। কিন্তু ইতিমধ্যে যেসব বিএড প্রার্থী প্রাথমিক এর দিকে ঝুঁকে গেছেন এবং অ্যাপ্লিকেশন করে ফেলেছেন তারা চরম সমস্যায় পড়বেন।

Leave a Comment